জুমুআ'র খুতবায় শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলায় খতিবকে অব্যাহতি!
ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌরসভার বাইতুল মাহফুজ পুরাবাড়িয়া মোড় জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। জুমুআ'র খুতবায় গণহত্যাকারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিন… See moreজুমুআ'র খুতবায় শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলায় খতিবকে অব্যাহতি!
ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌরসভার বাইতুল মাহফুজ পুরাবাড়িয়া মোড় জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। জুমুআ'র খুতবায় গণহত্যাকারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলার অভিযোগে মসজিদ কমিটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ অক্টোবর জুমার খুতবায় ‘মূর্তি ও ভাস্কর্যের ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং তা থেকে মুসলমানদের উত্তরণ’ বিষয়ে আলোচনা করেন খতিব মাওলানা মোজাহিদুল ইসলাম। এ সময় শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের প্রসঙ্গ টেনে গণহত্যাকারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। পরে এ বক্তব্যের জেরে মসজিদ কমিটির সভাপতি ফেরদৌস ভূঁইয়া তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।
#assidqnews#bangladesh
ছবির সব নেতাই শহীদ..
ছবিটি আল জাজিরার সাম্প্রতিক প্রকাশিত ইনভেস্টিগেটিভ প্রোগ্রাম "What Is Hidden Is Greater" থেকে নেওয়া। ছবিটিতে আল-কাসসাম ব্রিগেডের উচ্চপদস্থ সামরিক নেতাদের ভূগর্ভস্থ টানেলে একটি ব… See moreছবির সব নেতাই শহীদ..
ছবিটি আল জাজিরার সাম্প্রতিক প্রকাশিত ইনভেস্টিগেটিভ প্রোগ্রাম "What Is Hidden Is Greater" থেকে নেওয়া। ছবিটিতে আল-কাসসাম ব্রিগেডের উচ্চপদস্থ সামরিক নেতাদের ভূগর্ভস্থ টানেলে একটি বৈঠকে অংশ নিতে দেখা যায়। এখানেই তাঁরা ৭ অক্টোবরের 'তুফানুল আকসা' অপারেশনের পরিকল্পনা করেন।
ছবিতে যাঁরা আছেন:
• মুহাম্মদ দেইফ – চিফ অব স্টাফ
• মারওয়ান ঈসা – ডেপুটি চিফ অব স্টাফ
• রা'ইদ সা'দ – সামরিক উৎপাদন প্রধান
• আহমেদ আল-ঘান্দুর – উত্তর ব্রিগেডের কমান্ডার
• মুহাম্মদ শা'বানা – রাফাহ ব্রিগেডের কমান্ডার
• গাজী আবু তামা'আ – অস্ত্র ও কম্ব্যাট সার্ভিসের প্রধান
• হাকাম আল-ঈসা – প্রশিক্ষণ প্রধান
• মুহাম্মদ আওদা – গোয়েন্দা প্রধান
• বাসেম ঈসা – ২০২১ সাল পর্যন্ত গাজা ব্রিগেডের কমান্ডার
• ইজ্জ আল-দীন আল-হাদ্দাদ – গাজা ব্রিগেডের কমান্ডার
• রা'ইদ সাবিত – কর্মী ব্যবস্থাপনা প্রধান
• আয়মান নওফাল – মধ্য ব্রিগেডের কমান্ডার
• রাফে সালামা – খান ইউনিস ব্রিগেডের কমান্ডার
• মুহাম্মদ সিনওয়ার – অপারেশন প্রধান
#Palestine#gaza#hamas#assidqnews
📌 মার্কিন বাহিনীর সাথে পালানো আফগানদের তালেবানের হাতে তুলে দিবে যুক্তরাষ্ট্র।
আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর সঙ্গে পালানো ১৫০ জনেরও বেশি আফগান নাগরিককে পাকিস্তানের মাধ্যমে আফগানিস্তানে ফেরত … See more📌 মার্কিন বাহিনীর সাথে পালানো আফগানদের তালেবানের হাতে তুলে দিবে যুক্তরাষ্ট্র।
আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর সঙ্গে পালানো ১৫০ জনেরও বেশি আফগান নাগরিককে পাকিস্তানের মাধ্যমে আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। তাঁদের অনেকেই অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন কিংবা মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্য।
এদিকে এখন তাঁদের আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানো হলে তালেবান সরকারের শাস্তির মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেরত পাঠানোর তালিকায় অন্তত একজন সমকামী ব্যক্তিও রয়েছেন, যিনি আফগানিস্তানে ফিরে গেলে তালেবানের হাতে মৃত্যুদণ্ডের আশঙ্কা করছেন। আগামী ২ নভেম্বর থেকে তাঁদের পাকিস্তানে পাঠানোর ফ্লাইট শুরু হতে পারে। পরে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ তাঁদের আফগানিস্তানে ফেরত পাঠাবে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের আশ্রয়ে আফগানিস্তান ছাড়ার পর আবারও তালেবান শাসনের মুখে পড়তে যাচ্ছেন এসব মানুষ।
#Asia#Taliban#Afghanistan#America#assidqnews
‼️ উসমানী খেলাফতবিরোধী বয়ান বদলাল সিরিয়ার পাঠ্যবই।
উসমানী খেলাফতের বিরুদ্ধে আরব বিদ্রোহের ইতিহাস বর্ণনায় পরিবর্তন এনেছে সিরিয়ার নতুন সরকার।
২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন স্কুলের পাঠ্যবইয়ে ১৯১৬–১৯১… See more‼️ উসমানী খেলাফতবিরোধী বয়ান বদলাল সিরিয়ার পাঠ্যবই।
উসমানী খেলাফতের বিরুদ্ধে আরব বিদ্রোহের ইতিহাস বর্ণনায় পরিবর্তন এনেছে সিরিয়ার নতুন সরকার।
২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন স্কুলের পাঠ্যবইয়ে ১৯১৬–১৯১৮ সালের আরব বিদ্রোহকে উপস্থাপনের ভাষা বদলে দেওয়া হয়েছে।
আল-শারার নতুন সরকারের আমলে প্রকাশিত এই সংস্করণে ‘মহান আরব বিদ্রোহ’ নামটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং উসমানীয় শাসনের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত তুর্কিবিরোধী ভাষা নরম করা হয়েছে।
বাশার আল-আসাদ সরকারের আমলের ২০১৭–১৮ সালের পাঠ্যবইয়ে শরিফ হুসাইনের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহের লক্ষ্য হিসেবে ‘উসমানীয় দখলদারত্ব ও ইউনিয়নিস্ট তুর্কিদের শাসন থেকে আরব ভূখণ্ডকে মুক্ত করার’ কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু নতুন বইয়ে ঘটনাটিকে ‘হুসাইন বিন আলীর বিদ্রোহ আন্দোলন’ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এর উদ্দেশ্য ছিল ‘আরব ভূখণ্ডকে উসমানীয় রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করা’।
এ ছাড়া পুরোনো পাঠ্যবইয়ে তুর্কিদের ‘অবিচার’ থেকে জনগণকে মুক্ত করার কথা থাকলেও নতুন সংস্করণে বলা হয়েছে, বিদ্রোহের লক্ষ্য ছিল ‘অঞ্চলটি থেকে উসমানীয়দের দূর করা’।
অর্থাৎ, উসমানী খেলাফতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের বর্ণনায় নতুন সরকার আগের তুলনায় অনেক বেশি সংযত ভাষা ব্যবহার করেছে।
#MiddleEast#syria#usmaniya#assidqnews#news
তেলের জন্য নাইজারে সেনা পাঠাচ্ছে আলজেরিয়া
নাইজারের তেল ও জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৫৩ বছর পর প্রথমবারের মতো বিদেশে সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিল আলজেরিয়ার পার্লামেন্ট।
প্রায় ৫… See moreতেলের জন্য নাইজারে সেনা পাঠাচ্ছে আলজেরিয়া
নাইজারের তেল ও জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৫৩ বছর পর প্রথমবারের মতো বিদেশে সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিল আলজেরিয়ার পার্লামেন্ট।
প্রায় ৫৩ বছর পর প্রথমবারের মতো বিদেশে সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে আলজেরিয়া। দেশটির পার্লামেন্ট নাইজারে সেনা পাঠানোর প্রস্তাবে সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন দিয়েছে। ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় মিসরকে সহায়তা করতে সেনা পাঠানোর পর এটিই আলজেরিয়ার প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশি সেনা মোতায়েনের উদ্যোগ।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আলজেরিয়ার সেনারা উত্তর নাইজারের মাদামা এলাকায় মোতায়েন হবেন। এলাকাটি লিবিয়া সীমান্তের কাছে অবস্থিত। সেখানে আগে ফ্রান্সের একটি সামরিক ঘাঁটি ছিল।
তেল স্থাপনা রক্ষায় সেনা মোতায়েন
আলজেরিয়ার এই অভিযানের মূল লক্ষ্য নাইজারে গুরুত্বপূর্ণ তেল ও জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এর মধ্যে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি সোনাত্রাকের কাফরা তেল প্রকল্পও রয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এই মিশন মূলত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য; সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়া এর উদ্দেশ্য নয়।
নাইজারের সামরিক সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার
২০২৩ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নাইজারের বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসে। এরপর দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা কমেছে। নাইজারের সামরিক সরকারকে হেলিকপ্টারসহ সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তাও করেছে আলজেরিয়া।
সাহেল অঞ্চলে নিরাপত্তা সংকট ও সীমান্তপারের সংঘাতের মধ্যে আলজেরিয়ার এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে নাইজারে দেশটির সামরিক উপস্থিতি বাড়বে এবং লিবিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
#Niger#Algeria#assidqnews#news#Africa
সিরিয়ার স্কুলের নতুন পাঠ্য বইতে জিহাদ, ফিদায়িন, মুসলিম উম্মাহ, শহীদ, ইসলামী মূল্যবোধ, বিয়ে ও হিজাবের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পাশাপাশি পাঠ্যবইয়ে ফিলিস্তিনের ইন্তিফাদা, প্রতিরোধ আন্দোলন … See moreসিরিয়ার স্কুলের নতুন পাঠ্য বইতে জিহাদ, ফিদায়িন, মুসলিম উম্মাহ, শহীদ, ইসলামী মূল্যবোধ, বিয়ে ও হিজাবের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পাশাপাশি পাঠ্যবইয়ে ফিলিস্তিনের ইন্তিফাদা, প্রতিরোধ আন্দোলন এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা রাখা হয়েছে।
#Syria#assidqnews#news
সিরিয়ার নতুন তৃতীয় শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা বইয়ে অভিভাবকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, শিক্ষার লক্ষ্য শিশুদের ‘দেশের সেবা’ করার জন্য প্রস্তুত করা নয়; বরং ‘ধর্ম ও উম্মাহর সেবা’ করার জন্য গড়ে তোলা। এখানে উম্ম… See moreসিরিয়ার নতুন তৃতীয় শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা বইয়ে অভিভাবকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, শিক্ষার লক্ষ্য শিশুদের ‘দেশের সেবা’ করার জন্য প্রস্তুত করা নয়; বরং ‘ধর্ম ও উম্মাহর সেবা’ করার জন্য গড়ে তোলা। এখানে উম্মাহ বলতে সামগ্রিক মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বোঝানো হয়েছে।
আবার ষষ্ঠ শ্রেণির একটি পাঠে শিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে, ‘বিশ্বাসঘাতকতা ও পেছন থেকে ছুরি মারা ইহুদিদের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে পড়ে।’
#Syria#assidqnews#news
📌 গাজায় ২০ হাজারের বেশি শিশু নিহত, এতিম ৬০ হাজার
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে ২০ হাজারের বেশি শিশু নিহত হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত ৬০ হাজার শিশু তাদের মা, বাবা কিংবা উভয়কেই হারিয়ে এ… See more📌 গাজায় ২০ হাজারের বেশি শিশু নিহত, এতিম ৬০ হাজার
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে ২০ হাজারের বেশি শিশু নিহত হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত ৬০ হাজার শিশু তাদের মা, বাবা কিংবা উভয়কেই হারিয়ে এতিম হয়ে পড়েছে।
এই যুদ্ধে শিশুদের শৈশব কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি অসংখ্য পরিবারকে ছিন্নভিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। যেসব মানুষের স্নেহ, ভালোবাসা ও হাত ধরে শিশুদের বেড়ে ওঠার কথা, তাদের হারিয়ে হাজার হাজার শিশু এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি।
এরই মধ্যে এগিয়ে আসছে শীতকাল। বাস্তুচ্যুতি, চরম দুর্দশা ও মানবেতর জীবনযাপনের কারণে এসব এতিম শিশুর বেঁচে থাকাও কঠিন হয়ে উঠছে। নিরাপদ আশ্রয় ও মৌলিক সুযোগ-সুবিধার সংকটের মধ্যে শীতের তীব্রতা তাদের জীবনধারণের সম্ভাবনাকেও আরও হুমকির মুখে ফেলছে।
#gaza#assidqnews#news
📌 ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করায় খাইবার পখতুনখোয়ায় জরুরি গভর্নর শাসন জারি করেছে সরকার।
➡️ পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই শাসিত খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সরকার স্থগি… See more📌 ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করায় খাইবার পখতুনখোয়ায় জরুরি গভর্নর শাসন জারি করেছে সরকার।
➡️ পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই শাসিত খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সরকার স্থগিত করে জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারি করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পরামর্শে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি অনুমোদন দেওয়ার পর সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে ছয় মাসের জন্য এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
➡️ ইমরান খান, তার স্ত্রী ও বোনদের মুক্তির দাবিতে পিটিআইয়ের বড় একটি মিছিল ইসলামাবাদের দিকে যাত্রা করার পরই এই পদক্ষেপ নেয় সরকার।
➡️ এদিকে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের এ সিদ্ধান্তের পরপরই প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি, প্রাদেশিক পিটিআই সভাপতি জুনায়েদ আকবরসহ শত শত নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
পাশাপাশি প্রদেশের ১২টি জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং পেশোয়ারের প্রধান প্রধান সড়কগুলো অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে দুর্নীতির মামলায় কারাগারে রয়েছেন ইমরান খান। পরবর্তীতে তার স্ত্রী ও বোনকেও গ্রেপ্তার করে দেশটির সরকার।
#asia#Pakistan
আশ শাবাব নেতা শায়খ আলী মুহাম্মদ আর-রাজির সম্পর্কে তথ্যের জন্য ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
যুক্তরাষ্ট্র | সোমালিয়ার সশস্ত্র জিহাদী গোষ্ঠী আল-শাবাবের শীর্ষ নেতা ও প্রধান মুখপাত… See moreআশ শাবাব নেতা শায়খ আলী মুহাম্মদ আর-রাজির সম্পর্কে তথ্যের জন্য ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
যুক্তরাষ্ট্র | সোমালিয়ার সশস্ত্র জিহাদী গোষ্ঠী আল-শাবাবের শীর্ষ নেতা ও প্রধান মুখপাত্র আলী মুহাম্মদ আর-রাজি হাফি. এর অবস্থান শনাক্ত করতে সহায়ক তথ্যের জন্য ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
মার্কিন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আর-রাজি সোমালিয়া ও কেনিয়ায় আল-শাবাবের হামলার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন।
এসব হামলায় মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের অন্যত্র পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করা হতে পারে।
#assidqnews#news#alshabab#simalia
Log In to leave a comment.