কুরআনি শাসন যেখানে, যখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—সেই সমাজের মানুষ শান্তি এবং সম্মান পেয়েছে। রাষ্ট্র সংস্কার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.)-এর আদর্শই একমাত্র সমাধান।
ডা. শফিকুর রহমান
জামায়াত আমির
#Assidq … See more কুরআনি শাসন যেখানে, যখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—সেই সমাজের মানুষ শান্তি এবং সম্মান পেয়েছে। রাষ্ট্র সংস্কার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.)-এর আদর্শই একমাত্র সমাধান।
ডা. শফিকুর রহমান
জামায়াত আমির
#AssidqNews #JamaatEIslami #Jamaat #BanglaNews #news
কুরআনি শাসন যেখানে, যখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই সমাজের মানুষ শান্তি এবং সম্মান পেয়েছে। As-sidq news
11 Likes
1 Comments
0 Views
Like
Comment
Share
Save
তাওহিদবাদীদের বিএনপি-ঘেঁষা হওয়ার মূল কারণ জামাত-শিবিরের ব্যর্থতা ও আত্মঘাতী আচরণ।
এটি কোনো আদর্শিক নৈকট্যের ফল নয় বরং জামাত-শিবিরের নির্মম অপমান, অশ্লীল আক্রমণ ও নিজেদের ভাইদের শত্রুর মুখে ঠেলে দে… See more তাওহিদবাদীদের বিএনপি-ঘেঁষা হওয়ার মূল কারণ জামাত-শিবিরের ব্যর্থতা ও আত্মঘাতী আচরণ।
এটি কোনো আদর্শিক নৈকট্যের ফল নয় বরং জামাত-শিবিরের নির্মম অপমান, অশ্লীল আক্রমণ ও নিজেদের ভাইদের শত্রুর মুখে ঠেলে দেওয়ার প্রত্যক্ষ পরিণতি।
জামাত-শিবির যখন নিজেদের তাওহিদপন্থী ভাইদের ওপর ‘জঙ্গি’, ‘উগ্রবাদী’, ‘মৌলবাদী’, ‘খারেজি’ এসব তীরের আঘাত হানতে থাকে, তখন সেই আঘাত শুধু ব্যক্তিগত নয়, সমগ্র তাওহিদবাদী চেতনাকে গভীরভাবে জখম করে। এই জখম থেকেই জন্ম নেয় ক্ষোভ। আর সেই ক্ষোভই তাদের বাধ্য করে বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়তে। আদর্শিকভাবে জামাতের অবস্থানই তাওহিদবাদীদের নিকটবর্তী হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জামাত নিজেই সেই নৈকট্যকে ধ্বংস করেছে।
যারা ভাবেন তাওহিদবাদীরা ক্ষমতাসীনদের পদলেহন করে বা সুশীল সমাজের মুখোশ পরে নিজেদের রক্ষা করতে চায় তাঁদের ধারণা ভুল। যদি তাই হতো, তাহলে তাঁরা আওয়ামী লীগের সঙ্গেও আঁতাত করে চলতে পারতেন। কিন্তু তা করেননি। বিএনপি-ঘেঁষা হওয়ার একমাত্র কারণ জামাত-শিবিরের অহেতুক শত্রুতা ও নিষ্ঠুরতা। যখন নিজের ভাইকে শত্রু ভেবে দূরে ঠেলে দেওয়া হয়, তখন প্রতিপক্ষ সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাকে কাছে টেনে নেয় এটাই রাজনৈতিক বাস্তবতা। এতে লজ্জা তাওহিদবাদীদেরও, কিন্তু চরম লজ্জা জামাত-শিবিরের।
জামাত-শিবির অগণতান্ত্রিক ইসলামপন্থীদের পালস কখনোই বুঝতে পারেনি। অতীতে পারেনি, আজও পারে না, আগামীতেও পারবে না। তারা অহেতুক নিজেদের শত্রু বাড়ায়, নিজেদের ভাইদের বিচ্ছিন্ন করে এবং নিজেদের অবস্থানকে ক্রমাগত দুর্বল করে। আজ হেফাজতে ইসলামের আমিরের সঙ্গে সরকারপ্রধানের সাক্ষাৎ হয়, অথচ সেই আমিরের বিরুদ্ধেই জামাত-শিবিরের লোকজন অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ চালায়। ফলে হেফাজত যখন বিএনপি-ঘেঁষা হয়, তখন জামাতের ক্ষোভ প্রকাশের কোনো নৈতিক ভিত্তি থাকে না। আপনি যখন আপনার বন্ধুকে শত্রু ভেবে ছুড়ে ফেলেন, তখন আপনার প্রতিপক্ষ তাকে কৌশলগতভাবে কাছে টেনে নেবে এটাই স্বাভাবিক।
জামাত-শিবিরের এই আত্মঘাতী নীতি শুধু তাওহিদবাদীদের নয়, সমগ্র ইসলামী আন্দোলনের জন্য ক্ষতিকর। তারা নিজেদের অহংকার ও সংকীর্ণতা দিয়ে সম্ভাব্য মিত্রদের শত্রু বানিয়ে ফেলছে, আর তারপর সেই শত্রুতার দায় অন্যের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। এই পথে চলতে থাকলে জামাত-শিবির শুধু তাওহিদবাদীদের নয়, নিজেদেরও ক্রমাগত বিচ্ছিন্ন ও দুর্বল করে তুলবে।
© Ali Arshad Rajon
#jamaat #bangladesh
13 Likes
2 Comments
0 Views
Like
Comment
Share
Save
Log In to leave a comment.